‘বাড়িত কোন দিন আসিব’—এই অপেক্ষার
প্রহর শেষ হলো ৭ অক্টোবর রাত ১২টা ২০ মিনিটে।
ইদানীংকালে খুব কম কথা হতো, নানা ব্যস্ততায়
দৌড়ঝাঁপ, এটা–সেটা কারণে।
কে জানত, সেই রাতেই হবে শেষ কথা।
শরতে মৃত্যু হলো অরুণ বসুর।
বললেন তিনি—কাশফুল দেখার বরাদ্দ সময়টুকু মনে হচ্ছে শেষ, আমি যাই।
‘তো পৃথিবীতে এলেনই–বা কেন? কে আসতে বলেছিল?’
শরতে মৃত্যুর মাঝে কাব্যিক ভাব কিছু আছে,
যেমন থাকে নার্সের ...
ধাত্রীমাকে মনে করতে পারি না আমি—অথচ আমার জন্ম তাঁরই হাতে। আমার জন্ম মামাবাড়ির এক দোচালা টিনের ঘরে, ঘরের পেছনে নদী। আমার নাড়ির ফুল কি পোঁতা নয় নদীপাড়ের কাশবনে? বাঁশবন কি নয় আমার বাল্যকাল? ঘুরতে ঘুরতে ...
কারও কারও কবিতা পড়ে আমরা এতটা মুগ্ধ হই যে অগোচরে বলে ফেলি, গা শিউরে উঠছে। এটা কিন্তু কেবল কথার কথা নয়। সত্যিই, তখন গায়ে কাঁটা দেয়। এক গবেষণায় এমনটাই জানা গেছে।