কবিতা

৭ অক্টোবর, রাত ১২টা ২০ মিনিট

‘বাড়িত কোন দিন আসিব’—এই অপেক্ষার প্রহর শেষ হলো ৭ অক্টোবর রাত ১২টা ২০ মিনিটে। ইদানীংকালে খুব কম কথা হতো, নানা ব্যস্ততায় দৌড়ঝাঁপ, এটা–সেটা কারণে। কে জানত, সেই রাতেই হবে শেষ কথা।

৭ অক্টোবর, রাত ১২টা ২০ মিনিট

বিচার

শরতে মৃত্যু হলো অরুণ বসুর। বললেন তিনি—কাশফুল দেখার বরাদ্দ সময়টুকু মনে হচ্ছে শেষ, আমি যাই। ‘তো পৃথিবীতে এলেনই–বা কেন? কে আসতে বলেছিল?’ শরতে মৃত্যুর মাঝে কাব্যিক ভাব কিছু আছে, যেমন থাকে নার্সের ...

বিচার

আমার মহারাত্রি

আমার সিদ্ধিদাতা এল রাত করে। তার সঙ্গে মাখামাখি শেষে একটুকুন বিচলিত হয়ে একটা নরম পাথরের মতো বসে আছি দীর্ঘ বারান্দায়।।

আমার মহারাত্রি

আশ্বিনের শারদপ্রাতে

ইটের রাস্তার দুপাশে অন্ধ গাছের সারি দেখেনি আমাকে কোনো দিন আমি দাঁড়িয়েছিলাম তোমাদের ঘরের পাশে বড় আঙিনার মাঝখানে ঠাকুরঘর তার আগে পুকুর, পুকুরের পাড়ে বড় নিমগাছ।

আশ্বিনের শারদপ্রাতে

সাতাশে আশ্বিন

ধাত্রীমাকে মনে করতে পারি না আমি—অথচ আমার জন্ম তাঁরই হাতে। আমার জন্ম মামাবাড়ির এক দোচালা টিনের ঘরে, ঘরের পেছনে নদী। আমার নাড়ির ফুল কি পোঁতা নয় নদীপাড়ের কাশবনে? বাঁশবন কি নয় আমার বাল্যকাল? ঘুরতে ঘুরতে ...

সাতাশে আশ্বিন

কত অজানা রে

কবিতা পড়লে মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রে কী ঘটে

কারও কারও কবিতা পড়ে আমরা এতটা মুগ্ধ হই যে অগোচরে বলে ফেলি, গা শিউরে উঠছে। এটা কিন্তু কেবল কথার কথা নয়। সত্যিই, তখন গায়ে কাঁটা দেয়। এক গবেষণায় এমনটাই জানা গেছে।

কবিতা পড়লে মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রে কী ঘটে

সবশেষের সবচেয়ে পাগল লাইনগুলি

ঠক ঠক করে কী বোর্ড টিপে লিখতে লিখতে অনেক লেখার পর যেই টিপেছি থ অমনি বেঁকে গেল একটি লাইন

সবশেষের সবচেয়ে পাগল লাইনগুলি

স্নান ও গোসলবিষয়ক

বহুদিন কাকস্নান দেখিনা কোথাও নোংরা বস্তির পাশে নোংরা মানুষের উদ্ব্যস্ত গোসল শুধু চোখে পড়ে।

স্নান ও গোসলবিষয়ক

দেয়াল

বঙ্গোপসাগর ঘেঁষে ম্লান এই গাঙ্গেয় বদ্বীপ মানুষেরা ক্ষুত্কাতর নিরীহ আকাট কাক-পক্ষীর মতো অন্ন খুঁটে অন্ন খুঁটে মাথা ঠেকছে পথের ধুলোয়

দেয়াল

ভিতু

গূঢ় অভিমান পুষে, বক্ষ সঞ্চালন হবে, অসুখের ভয়ে নিমবৃক্ষ রেখেছি বিহ্বল হতে, কিশলয় ছুঁয়ে যেও।

ভিতু
আরও